ovarian cancer

ওভারিয়ান ক্যান্সার: নীরব কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা

ওভারিয়ান ক্যান্সার নিয়ে বাংলা মেডিকেল awareness poster যেখানে ovary ও female reproductive organ illustration দেখানো হয়েছে

আমাদের দেশে নারীদের বিভিন্ন ক্যান্সারের মধ্যে ওভারিয়ান ক্যান্সার (Ovarian Cancer) বা ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার একটি মারাত্মক সমস্যা। দুঃখজনকভাবে, এটি প্রায়শই দেরিতে ধরা পড়ে, কারণ এর প্রাথমিক লক্ষণগুলো খুব অস্পষ্ট থাকে এবং অনেক সময় সাধারণ গ্যাস্ট্রিক বা হজমের সমস্যার মতো মনে হয়। এ কারণেই ওভারিয়ান ক্যান্সারকে অনেক সময় "নীরব ঘাতক" (silent killer) বলা হয়। এটি যখন ধরা পড়ে, ততক্ষণে রোগটি বেশ ছড়িয়ে যেতে পারে। কিন্তু সময়মতো সচেতন হলে এবং সঠিক চিকিৎসা নিলে এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করা সম্ভব।

ডিম্বাশয় (Ovary) কী?

ডিম্বাশয় বা ওভারি (Ovary) হলো নারীদেহের প্রজননতন্ত্রের দুটি ছোট, ডিম্বাকৃতির অঙ্গ, যা জরায়ুর দুই পাশে অবস্থিত। প্রতিটি নারীর দুটি ডিম্বাশয় থাকে।

ডিম্বাশয়ের প্রধান কাজ হলো:

  • ডিম্বাণু তৈরি: প্রতি মাসে একটি করে ডিম্বাণু তৈরি করা, যা গর্ভধারণের জন্য জরুরি।

  • হরমোন তৈরি: ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরন নামক দুটি গুরুত্বপূর্ণ নারী হরমোন তৈরি করা, যা মাসিক চক্র এবং অন্যান্য শারীরিক কার্যক্রমে ভূমিকা রাখে। সন্তান ধারণ এবং নারীর সামগ্রিক স্বাস্থ্য রক্ষায় ডিম্বাশয়ের ভূমিকা অপরিসীম।

নারীদের প্রজনন তন্ত্রের বাংলা মেডিকেল infographic যেখানে জরায়ু, জরায়ুমুখ, ডিম্বাশয় ও ফ্যালোপিয়ান টিউব দেখানো হয়েছে

ওভারিয়ান ক্যান্সার কী?

ওভারিয়ান ক্যান্সার (Ovarian Cancer) হলো যখন ডিম্বাশয়ের কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে এবং অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হয়ে টিউমারে পরিণত হয়। এটি ডিম্বাশয়ের বিভিন্ন কোষ থেকে শুরু হতে পারে, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি ডিম্বাশয়ের বাইরের আস্তরণের কোষ (epithelial cells) থেকে শুরু হয়।

এই ক্যান্সার শুরুতে “নীরব” থাকে, কারণ ডিম্বাশয় তলপেটের গভীরে অবস্থিত এবং এর আশেপাশে ফাঁকা জায়গা থাকে। তাই টিউমার বড় হলেও প্রাথমিক পর্যায়ে তেমন কোনো চাপ বা ব্যথা সৃষ্টি করে না। যখন লক্ষণ দেখা দেয়, ততক্ষণে ক্যান্সার শরীরের ভেতরে পেটের অন্যান্য অঙ্গে ছড়িয়ে যেতে পারে

সাধারণ লক্ষণ

ওভারিয়ান ক্যান্সারের কিছু সাধারণ লক্ষণ নিচে দেওয়া হলো। এই লক্ষণগুলো অনেক সময় অস্পষ্ট হয় এবং অন্যান্য সাধারণ রোগের সাথে মিলে যায়, তাই সতর্ক থাকা জরুরি:

  • পেট ফোলা: দীর্ঘস্থায়ী পেট ফোলা ভাব, যা সহজে কমে না।

  • পেটে অস্বস্তি বা ব্যথা: তলপেটে বা পেটের উপরের অংশে হালকা বা মাঝারি ব্যথা, যা দীর্ঘ দিন ধরে থাকে।

  • দ্রুত পেট ভরে যাওয়া: অল্প খেলেই পেট ভরা বা ভারী মনে হওয়া।

  • ক্ষুধামন্দা: খাবার খেতে ইচ্ছা না করা বা ক্ষুধা কমে যাওয়া।

  • ওজন কমে যাওয়া: কারণ ছাড়াই দ্রুত ওজন কমে যাওয়া।

  • প্রস্রাবের চাপ বেড়ে যাওয়া: ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া বা প্রস্রাবের জরুরি ভাব।

  • দুর্বলতা: কারণ ছাড়াই অতিরিক্ত ক্লান্তি বা দুর্বলতা অনুভব করা।

  • মাসিকের পরিবর্তন: মাসিকে অস্বাভাবিক পরিবর্তন, যেমন অনিয়মিত মাসিক বা মেনোপজের পর রক্তপাত।

এটা মনে রাখা জরুরি যে, এই লক্ষণগুলো অনেক সময় সাধারণ গ্যাস্ট্রিক বা হজমের সমস্যার মতো মনে হতে পারে। তাই যদি এই লক্ষণগুলো দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে থাকে এবং স্বাভাবিক গ্যাট্রিকের ঔষধে না কমে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কেন হয় / ঝুঁকির কারণ

ওভারিয়ান ক্যান্সারের কিছু প্রধান ঝুঁকির কারণ নিচে দেওয়া হলো:

  • বয়স: এটি সাধারণত ৫০ বছরের বেশি বয়সী নারীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়, বিশেষ করে মেনোপজের পর ঝুঁকি বাড়ে।

  • পারিবারিক ইতিহাস (Family History): পরিবারের নিকটাত্মীয়দের (মা, বোন, খালা) মধ্যে যদি ওভারিয়ান, স্তন বা কোলন ক্যান্সারের ইতিহাস থাকে, তাহলে ঝুঁকি বেশি হতে পারে।

  • BRCA মিউটেশন (BRCA Mutation): BRCA1 ও BRCA2 নামক জিনের ত্রুটি (mutation) ওভারিয়ান ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক বাড়ায়।

  • বন্ধ্যাত্ব (Infertility): যারা সন্তান ধারণে অক্ষম বা সন্তান হয়নি,বা যারা দেরিতে সন্তান জন্ম দিয়েছেন, তাদের ঝুঁকি কিছুটা বেশি হতে পারে।

  • অতিরিক্ত ওজন (Obesity): অতিরিক্ত ওজন ওভারিয়ান ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।

  • হরমোনাল ফ্যাক্টর: এন্ডোমেট্রিওসিস (Endometriosis) বা পিসিওএস (PCOS) এর মতো কিছু হরমোনজনিত সমস্যা ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

  • মেনোপজের পর বয়স: মেনোপজের পর বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঝুঁকি বাড়ে।

কীভাবে পরীক্ষা করা হয়?

রোগ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসক কিছু পরীক্ষা করার পরামর্শ দিতে পারেন:

  • আলট্রাসাউন্ড (Ultrasound): এটি ডিম্বাশয়ের ছবি তোলার একটি সহজ এবং প্রচলিত পদ্ধতি। এর মাধ্যমে ডিম্বাশয়ের আকার, সিস্ট বা টিউমার আছে কিনা তা দেখা যায়।

  • সিটি স্ক্যান (CT Scan) ও এমআরআই (MRI): এই স্ক্যানগুলোর মাধ্যমে ডিম্বাশয় এবং পেটের অন্যান্য অঙ্গে ক্যান্সার ছড়িয়েছে কিনা, তা বিস্তারিতভাবে দেখা যায়।

  • CA-125 রক্ত পরীক্ষা: CA-125 হলো এক ধরনের প্রোটিন, যার মাত্রা ওভারিয়ান ক্যান্সার রোগীদের রক্তে বেশি থাকতে পারে। তবে মনে রাখবেন, এটি সবসময় ক্যান্সারের একমাত্র সূচক নয়, অন্যান্য কারণেও এর মাত্রা বাড়তে পারে।

  • বায়োপসি (Biopsy): যদি কোনো অস্বাভাবিকতা ধরা পড়ে, তবে অপারেশনের সময় টিউমারের কিছু অংশ নিয়ে পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়। এর মাধ্যমে ক্যান্সার নিশ্চিত করা হয় এবং ক্যান্সারের ধরন নির্ণয় করা হয়।

এই পরীক্ষাগুলো কেন প্রয়োজন, তা বোঝা জরুরি। কারণ এর মাধ্যমেই রোগটি সঠিকভাবে নির্ণয় করা এবং এর বিস্তার সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়, যা সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরিতে সাহায্য করে।

স্টেজিং ঃ

ক্যান্সারের ‘স্টেজ’ বলতে বোঝায় ক্যান্সার কোষগুলো কতটা ছড়িয়েছে। ওভারিয়ান ক্যান্সার প্রায়শই পেটের ভিতরে ছড়িয়ে পড়ে, যেমন জরায়ু, অন্ত্র বা পেটের ভেতরের আস্তরণে (পেরিটোনিয়াম)। স্টেজ নির্ণয় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ স্টেজ অনুযায়ী চিকিৎসার ধরন পরিবর্তন হয়। প্রাথমিক স্টেজে চিকিৎসা একরকম হয়, আর যখন ক্যান্সার বেশি ছড়িয়ে যায় (অ্যাডভান্সড স্টেজ), তখন চিকিৎসার পদ্ধতি ভিন্ন হয়।

আধুনিক চিকিৎসা

ওভারিয়ান ক্যান্সারের আধুনিক চিকিৎসায় বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, যা রোগের স্টেজ ও রোগীর অবস্থার ওপর নির্ভর করে:

  • অপারেশন (Surgery): যদি সম্ভব হয়, অপারেশনের মাধ্যমে ক্যান্সার আক্রান্ত ডিম্বাশয়, জরায়ু এবং পেটের অন্যান্য অংশ থেকে যতদূর সম্ভব ক্যান্সার টিস্যু অপসারণ করা হয়। এটিকে “সাইটোরিডাকশন” বা “ডিবাল্কিং সার্জারি” বলে।

  • কেমোথেরাপি (Chemotherapy): ঔষধের মাধ্যমে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা হয়। এটি অপারেশন আগে বা পরে অথবা অ্যাডভান্সড স্টেজে ব্যবহার করা হতে পারে।

  • টার্গেটেড থেরাপি (Targeted Therapy): এই চিকিৎসা ক্যান্সার কোষের নির্দিষ্ট দুর্বলতাগুলোকে লক্ষ্য করে কাজ করে, যা সুস্থ কোষের ক্ষতি কমায়।

  • PARP ইনহিবিটর (PARP Inhibitor): এটি এক ধরনের টার্গেটেড থেরাপি, যা BRCA মিউটেশনযুক্ত রোগীদের জন্য বিশেষভাবে কার্যকর। এটি ক্যান্সার কোষের ডিএনএ মেরামতের ক্ষমতাকে বাধা দিয়ে তাদের ধ্বংস করে।

  • ইমিউনোথেরাপি (Immunotherapy): এই চিকিৎসায় রোগীর নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করা হয়।

  • সাপোর্টিভ কেয়ার (Supportive Care): রোগীর ব্যথা ও অন্যান্য কষ্ট কমানো এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত করার জন্য এই সহায়ক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

BRCA টেস্ট কী?

BRCA টেস্ট হলো এক ধরনের জেনেটিক পরীক্ষা, যা BRCA1 এবং BRCA2 নামক জিনে কোনো ত্রুটি (mutation) আছে কিনা তা শনাক্ত করে। যাদের পরিবারে ওভারিয়ান বা স্তন ক্যান্সারের ইতিহাস আছে, তাদের ক্ষেত্রে এই টেস্ট প্রয়োজন হতে পারে। যদি BRCA মিউটেশন ধরা পড়ে, তাহলে ওভারিয়ান ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে।

এই টেস্টটি কিছু রোগীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ BRCA মিউটেশনযুক্ত ওভারিয়ান ক্যান্সার রোগীদের জন্য PARP ইনহিবিটর এর মতো নির্দিষ্ট টার্গেটেড থেরাপি খুবই কার্যকর। এই টেস্টের ফলাফলের ভিত্তিতে চিকিৎসক সঠিক এবং ব্যক্তিগতকৃত চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেন

রোগ সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণা

ওভারিয়ান ক্যান্সার নিয়ে কিছু ভুল ধারণা সমাজে প্রচলিত আছে, যা দূর করা দরকার:

❌”পেট ফুললেই গ্যাস্ট্রিক”: 

এটি একটি ভুল ধারণা। দীর্ঘস্থায়ী পেট ফোলা, যা গ্যাস্ট্রিকের ঔষধে কমে না, তা ওভারিয়ান ক্যান্সারের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে।

❌”ওভারিয়ান ক্যান্সার হলে বাঁচা যায় না”: 

এটি সম্পূর্ণ ভুল। আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির কারণে অনেক রোগীর জীবন রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে। প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে নিরাময়ের সম্ভাবনা অনেক বেশি।

“সব ওভারিয়ান সিস্ট ক্যান্সার”: 

ডিম্বাশয়ে সিস্ট হওয়া একটি সাধারণ ব্যাপার এবং বেশিরভাগ ওভারিয়ান সিস্ট ক্ষতিকর (benign) হয়, যা ক্যান্সার নয়। তবে কিছু সিস্ট ক্যান্সারে রূপান্তরিত হতে পারে, তাই পরীক্ষা করানো জরুরি।

❌”কেমোথেরাপি নিলেই শরীর শেষ হয়ে যায়”: 

কেমোথেরাপি একটি কার্যকর চিকিৎসা, এর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকলেও আধুনিক সাপোর্টিভ কেয়ারের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এটি অনেক জীবন বাঁচায়।

প্রতিরোধ ও সচেতনতা

কিছু সহজ পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা ওভারিয়ান ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারি এবং প্রাথমিক অবস্থায় রোগ শনাক্ত করতে পারি:

  • নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা: বিশেষ করে মেনোপজের পর বা ৫০ বছর বয়সের পর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো উচিত।

  • দীর্ঘদিন পেট ফোলা অবহেলা না করা: যদি দীর্ঘ দিন ধরে পেট ফোলা, পেটে ব্যথা বা অস্বস্তি থাকে এবং সাধারণ ঔষধে না কমে, তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

  • পারিবারিক ইতিহাস থাকলে সতর্ক থাকা: পরিবারে ওভারিয়ান বা স্তন ক্যান্সারের ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করে নিয়মিত স্ক্রিনিং ও প্রয়োজনে জেনেটিক টেস্ট করান।

  • স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন: স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং নিয়মিত শরীরচর্চা সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

কখন দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত? title

যদি নিচের লক্ষণগুলোর মধ্যে কোনোটি আপনার মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে থাকে (দুই সপ্তাহের বেশি) এবং স্বাভাবিকভাবে না কমে, তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত:

  • দীর্ঘদিন ধরে পেট ফোলা বা পেটে অস্বস্তি

  • কারণ ছাড়াই দ্রুত ওজন কমে যাওয়া

  • পেটে ক্রমাগত ব্যথা

  • অল্প খেলেই পেট ভরে যাওয়া বা খেতে না পারা

  • মেনোপজের পর নতুন কোনো পেটের সমস্যা দেখা দেওয়া

শেষকথা

ওভারিয়ান ক্যান্সার একটি নীরব ঘাতক হলেও, সচেতনতা এবং সময়মতো চিকিৎসা এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। দীর্ঘ দিন ধরে পেটের সমস্যা বা অস্বাভাবিক লক্ষণগুলো কখনোই অবহেলা করা উচিত নয়। আধুনিক চিকিৎসার কারণে আজ অনেক ওভারিয়ান ক্যান্সার রোগীর জীবন রক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে। তাই ভয়কে জয় করে সচেতন হোন এবং নিজের স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিন। আপনার সুস্থতাই আমাদের কাম্য।

## পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন

আপনার বা আপনার পরিবারের কারো ক্যান্সার চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে দেরি না করে যোগাযোগ করুন।