Male Breast Cancer

পুরুষের স্তন ক্যান্সার (Male Breast Cancer) সম্পর্কে সচেতনতামূলক পোস্টার – লক্ষণ, কারণ ও আধুনিক চিকিৎসা

পুরুষের স্তন ক্যান্সার (Male Breast Cancer) হলো পুরুষদের স্তন টিস্যুতে অনিয়ন্ত্রিত কোষ বৃদ্ধির মাধ্যমে সৃষ্ট এক ধরণের বিরল ক্যান্সার। যদিও অনেকের ধারণা এটি কেবল নারীদের রোগ, কিন্তু পুরুষদের স্তনেও সামান্য পরিমাণে নালী (Ducts) ও গ্ল্যান্ড থাকে। স্তনে শক্ত গোঁটা বা ফোলা, নিপল থেকে রক্ত বা তরল পড়া এবং নিপল ভেতরের দিকে ঢুকে যাওয়া পুরুষের স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ। প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এটি সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব।
ক্যান্সার সংক্রান্ত যেকোনো আলোচনায় 'স্তন ক্যান্সার' বা 'ব্রেস্ট ক্যান্সার' শব্দটি শুনলেই আমরা সাধারণত নারীদের কথা ভাবি। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের সত্যটি হলো— স্তন ক্যান্সার পুরুষদেরও হতে পারে। আমাদের বাংলাদেশে সামাজিক লজ্জা, অজ্ঞতা এবং অসচেতনতার কারণে অনেক পুরুষই জানেন না যে তাদেরও স্তন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। ফলে স্তনে কোনো অস্বাভাবিক গোঁটা বা পরিবর্তন দেখা গেলেও তারা চিকিৎসকের কাছে যেতে ইতস্তত করেন, যা পরবর্তীতে জটিলতার সৃষ্টি করে।অনকোলজি বা ক্যান্সার চিকিৎসার মূল সত্য হলো— রোগ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান ও প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয়ই জীবন বাঁচানোর সেরা উপায়। এই ব্লগে আমরা পুরুষদের ব্রেস্ট ক্যান্সার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

পুরুষদের কি সত্যিই স্তন ক্যান্সার হতে পারে?

হ্যাঁ, পুরুষদেরও স্তন ক্যান্সার হতে পারে। আন্তর্জাতিক অনকোলজি নীতিমালা (যেমন NCCN ও ASCO) অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে মোট স্তন ক্যান্সারের প্রায় ১% ঘটনা পুরুষদের মধ্যে দেখা যায়।

পুরুষের স্তনে স্তন টিস্যু

জন্মের সময় ছেলে ও মেয়ে শিশু উভয়ের স্তনের গঠন একই রকম থাকে। বয়ঃসন্ধিকালে নারীদের দেহে ইস্ট্রোজেন হরমোনের প্রভাবে স্তনের পূর্ণ বিকাশ ঘটে। পুরুষদের দেহে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা কম থাকায় নারীদের মতো স্তন বিকশিত হয় না, তবে দুধের নালী (Ducts) ও সামান্য পরিমাণ গ্ল্যান্ডুলার টিস্যু নিপলের পেছনে রয়ে যায়।

ক্যান্সার কীভাবে তৈরি হয়?

যখন এই নালী বা গ্ল্যান্ডের কোষের ডিএনএ-তে (DNA) মিউটেশন বা অস্বাভাবিক পরিবর্তন ঘটে, তখন কোষগুলো অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হয়ে টিউমারে রূপ নেয়। পুরুষদের স্তন ক্যান্সারের অধিকাংশ ক্ষেত্রই (প্রায় ৮৫-৯০%) হলো Invasive Ductal Carcinoma (IDC), যা স্তনের নালী থেকে তৈরি হয়।

পুরুষের স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ

পুরুষদের স্তন টিস্যুর পরিমাণ নারীদের চেয়ে অনেক কম হওয়ায় স্তনের যেকোনো পরিবর্তন খুব সহজেই হাত দিয়ে অনুভব করা যায়। নিচে প্রধান Male Breast Cancer Symptoms বা লক্ষণগুলো আলোচনা করা হলো:

১. স্তনে শক্ত গোঁটা বা চাকা (Male Breast Lump)

এটি পুরুষদের ক্ষেত্রে স্তন ক্যান্সারের সবচেয়ে মূল লক্ষণ। সাধারণত নিপলের পেছনে বা ঠিক আশেপাশে একটি শক্ত, ব্যথাহীন গোঁটা অনুভব করা যায়। এটি মাংসপেশি বা ত্বকের সাথে লেগে থাকে এবং সহজে নড়াচড়া করে না।

২. নিপল থেকে রক্ত বা অস্বাভাবিক স্রাব

কোনো আঘাত ছাড়াই যদি পুরুষের নিপল থেকে পরিষ্কার তরল, হলুদাভ পানি কিংবা নিপল থেকে রক্ত বের হয়, তবে তা স্তনের নালীর ভেতরের সমস্যার স্পষ্ট নির্দেশক।

৩. নিপল ভেতরের দিকে ঢুকে যাওয়া (Nipple Retraction)

যদি স্বাভাবিক বাইরের দিকে থাকা নিপল হঠাৎ করে ভেতরের দিকে সংকুচিত হয়ে বা ডেবে যায়, তবে তা অবহেলা করা উচিত নয়। টিউমার ভেতরের টিস্যুকে টেনে ধরে বলেই এমনটা ঘটে।

৪. স্তনের ত্বকের পরিবর্তন

স্তনের ওপরের ত্বক লালচে হওয়া, ত্বক খসখসে হয়ে যাওয়া, ডিম্পলিং (ত্বক ভেতরের দিকে ডেবে যাওয়া) কিংবা কমলালেবুর খোসার মতো ছোট ছিদ্রযুক্ত হয়ে যাওয়া। কখনও কখনও ত্বকে দীর্ঘদিনের ঘা দেখা দেয়।

৫. বগলের লিম্ফ নোড বা গ্ল্যান্ড বড় হওয়া

কখনও স্তনে স্পষ্ট গোঁটা অনুভূতির আগেই বগলের নিচে (Axilla) শক্ত ছোট মার্বেলের মতো গোঁটা ফুলে উঠতে দেখা যায়। এটি লিম্ফ নোডে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়ার লক্ষণ।

⚠️ জরুরি সতর্কবার্তা!

পুরুষের স্তনে কোনো নতুন গোঁটা বা ফোলা, নিপল ভেতরের দিকে ঢুকে যাওয়া কিংবা নিপল থেকে রক্ত পড়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে এক মুহূর্তও দেরি না করে ব্রেস্ট সার্জন বা অনকোলজিস্টের পরামর্শ নিন।

পুরুষের স্তন ক্যান্সার কেন হয়? (Risk Factors)

পুরুষের স্তন ক্যান্সারের নির্দিষ্ট একটি কারণ না থাকলেও আন্তর্জাতিক গবেষণা অনুযায়ী কিছু বিষয় এই ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়:

  • বয়স বৃদ্ধি: সাধারণত ৬০ বছর বা তার বেশি বয়সী পুরুষদের মধ্যে এই ক্যান্সার বেশি দেখা যায়, তবে যেকোনো বয়সে হতে পারে।

  • BRCA2 জিনের পরিবর্তন: এটি একটি বংশগত জিন। যাদের দেহে BRCA2 জিনের মিউটেশন থাকে, তাদের স্তন ও প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।

  • পারিবারিক ইতিহাস: পরিবারে মা, বোন, বাবা বা অন্য কোনো রক্তসম্পর্কীয় আত্মীয়ের স্তন ক্যান্সার থাকলে ঝুঁকি বাড়ে।

  • Klinefelter Syndrome: এটি একটি জিনগত অবস্থা যেখানে পুরুষরা অতিরিক্ত ‘X’ ক্রোমোজোম (XXY) নিয়ে জন্মায়। এতে শরীরে ইস্ট্রোজেন বাড়ে ও টেসটোসটেরন কমে যায়।

  • লিভারের দীর্ঘস্থায়ী রোগ: লিভার সিরোসিসের কারণে শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মেটাবলিজম ব্যাহত হয়ে এর মাত্রা বেড়ে যায়।

  • স্থূলতা (Obesity): শরীরের অতিরিক্ত ফ্যাট টেসটোসটেরন হরমোনকে ইস্ট্রোজেনে রূপান্তরিত করে।

  • পূর্বে বুকে রেডিওথেরাপি নেওয়া: অতীতে অন্য কোনো ক্যান্সারের কারণে বুকে রেডিওথেরাপি পেয়ে থাকলে।

Gynecomastia ও স্তন ক্যান্সারের পার্থক্য

বাংলাদেশে পুরুষদের স্তনে গোঁটা বা স্তন বৃদ্ধি নিয়ে সবচেয়ে বড় যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়, তা হলো Gynecomastia (গাইনেকোমাস্টিয়া) এবং Male Breast Cancer-এর তফাত না বুঝতে পারা।

গাইনেকোমাস্টিয়া হলো হরমোনের তারতম্যের কারণে পুরুষদের স্তনে চর্বি ও গ্ল্যান্ডের অ-ক্যান্সারজনিত (Benign) সাধারণ বৃদ্ধি, যা একেবারেই বিপজ্জনক নয়।

Gynecomastia বনাম Male Breast Cancer

বৈশিষ্ট্যগাইনেকোমাস্টিয়া (Gynecomastia)পুরুষের স্তন ক্যান্সার (Male Breast Cancer)
গোঁটার ধরননরম, রাবারের মতো বা স্পঞ্জি (Rubbery)।অত্যন্ত শক্ত, পাথরের মতো বা অনমনীয় (Hard)।
অবস্থানদুই স্তনের নিপলের ঠিক মাঝখানে সমানভাবে।সাধারণত যেকোনো এক স্তনে বা নিপলের একপাশে।
নড়াচড়াচাপ দিলে চামড়ার নিচে সহজে নড়ে।বুকের টিস্যু বা ত্বকের সাথে স্থায়ীভাবে লেগে থাকে।
ব্যথাপ্রাথমিক অবস্থায় স্পর্শ করলে কিছুটা ব্যথা থাকে।বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একদম ব্যথাহীন (Painless)।
নিপল ও ত্বকনিপল ও ত্বক সম্পূর্ণ স্বাভাবিক থাকে।নিপল ডেবে যায়, রক্ত পড়ে, ত্বকে ক্ষত হতে পারে।
বগলের গ্ল্যান্ডবগলের লিম্ফ নোড বা গ্ল্যান্ড ফোলে না।বগলের গ্ল্যান্ড ফুলে শক্ত হতে পারে।

কীভাবে রোগ নির্ণয় করা হয়?

সন্দেহজনক পুরুষের স্তনে গোঁটা বা পরিবর্তন দেখা দিলে চিকিৎসক ধাপে ধাপে পরীক্ষা করে থাকেন:

  • শারীরিক পরীক্ষা: ডাক্তার হাত দিয়ে স্তন, নিপল এবং বগলের লিম্ফ নোড পরীক্ষা করেন।

  • ম্যামোগ্রাফি (Mammography): স্তনের বিশেষ ধরনের এক্স-রে, যা টিস্যুর টিউমার চিহ্নিত করে।

  • ব্রেস্ট আল্ট্রাসাউন্ড (Breast Ultrasound): গোঁটাটি সাধারণ পানির সিস্ট নাকি শক্ত টিউমার তা নির্ণয় করে।

  • কোর নিডল বায়োপসি (Core Needle Biopsy): এটি ক্যান্সার নিশ্চিত করার একমাত্র নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা। লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দিয়ে একটি বিশেষ সূঁচের মাধ্যমে সামান্য টিস্যু এনে মাইক্রোস্কোপে দেখা হয়। মনে রাখবেন, বায়োপসি করলে ক্যান্সার ছড়ায় না।

  • সিটি স্ক্যান বা পেট-সিটি (CT/PET-CT Scan): ক্যান্সার অন্য কোনো অঙ্গে ছড়িয়েছে কি না তা দেখতে প্রয়োজন হতে পারে।

রোগের স্টেজ (Staging)

স্টেজ (Stage)লক্ষণ ও বিস্তারচিকিৎসার মূল লক্ষ্য
Stage I & IIছোট টিউমার, বগলে সীমিত বা ছড়ায়নি।রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় করা (Curative Target)।
Stage IIIবড় টিউমার, ত্বক বা বুকের দেয়ালে বিস্তৃত।থেরাপির মাধ্যমে আকার ছোট করে নিরাময়।
Stage IVশরীরের দূরবর্তী অঙ্গে বিস্তৃত।রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা ও কষ্ট কমানো (Palliative)।

 

পুরুষের স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসা (Treatment Options)

আন্তর্জাতিক ক্যান্সার গাইডলাইন অনুযায়ী বহুবিধ চিকিৎসা পদ্ধতি (Multimodal Approach) ব্যবহার করে এর সঠিক চিকিৎসা দেওয়া হয়:

১. সার্জারি (Surgery)

পুরুষের স্তন টিস্যু কম থাকায় অস্ত্রোপচারই প্রধান ধাপ। Modified Radical Mastectomy (MRM)-এর মাধ্যমে আক্রান্ত স্তন টিস্যু, নিপল ও বগলের আক্রান্ত লিম্ফ নোড অপসারণ করা হয়।

২. কেমোথেরাপি (Chemotherapy)

শরীরে অবশিষ্ট অদৃশ্য বা সূক্ষ্ম ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করতে  অনকোলজিস্টগণ কেমোথেরাপি প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নেন যা নির্দিষ্ট সাইকেল অনুযায়ী ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া হয়।

৩. রেডিওথেরাপি (Radiotherapy)

অপারেশনের স্থানে আবার ক্যান্সার ফিরে আসার ঝুঁকি কমাতে উচ্চমাত্রার রশ্নি ব্যবহার করা হয়। রেডিওথেরাপি  একজন বিশেষজ্ঞ রেডিয়েশন/ক্লিনিক্যাল অনকোলজিস্ট নির্ধারণ করেন।

৪. হরমোন থেরাপি (Hormone Therapy – Tamoxifen)

পুরুষের ব্রেস্ট ক্যান্সারের প্রায় ৯০% ইস্ট্রোজেন রিসেপ্টর পজিটিভ (ER+)। হরমোন থেরাপি কী এবং কেন দেওয়া হয় তার মূল উত্তর হলো— Tamoxifen ট্যাবলেট সেবনের মাধ্যমে ক্যান্সারের ওপর হরমোনের প্রভাব বন্ধ করা হয়, যা ৫-১০ বছর খেতে হতে পারে।

৫. টার্গেটেড থেরাপি ও ইমিউনোথেরাপি

ক্যান্সার কোষে HER2 প্রোটিন পজিটিভ থাকলে টার্গেটেড থেরাপি  হিসেবে Trastuzumab ওষুধ দেওয়া হয়। নির্বাচন সাপেক্ষে ইমিউনোথেরাপি বা বায়োলজিক্যাল থেরাপিও ব্যবহৃত হয়।

চিকিৎসার পর ফলো-আপ

চিকিৎসা শেষে রোগীকে নিয়মিত ফলো-আপে থাকতে হয়:

  • প্রথম ২ বছর প্রতি ৩-৬ মাস পর পর বিশেষজ্ঞের কাছে পরীক্ষা করানো।

  • অপর স্তনে কোনো নতুন গোঁটা বা পরিবর্তন হচ্ছে কি না তা খেয়াল রাখা।

  • চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত Tamoxifen সেবন করা।

পুরুষের স্তন ক্যান্সার কি ভালো হতে পারে?

অবশ্যই ভালো হতে পারে। স্তন ক্যান্সার হলে প্যানিকড হওয়ার কিছু নেই। প্রথম বা দ্বিতীয় ধাপে রোগ ধরা পড়লে সঠিক সার্জারি, কেমোথেরাপি ও হরমোন থেরাপির মাধ্যমে ৮০-৯০% এর বেশি রোগী সম্পূর্ণ নিরাময় লাভ করে দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন যাপন করেন। তাই সংকোচ কাটিয়ে প্রাথমিক অবস্থাতেই পরীক্ষা করানো জরুরি।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?

নিচের কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে অনকোলজিস্ট বা সার্জনের সাথে পরামর্শ করুন:

  • স্তনে বা বগলে কোনো নতুন শক্ত, ব্যথাহীন গোঁটা অনুভব হলে।

  •  নিপল থেকে রক্ত বা তরল পদার্থ বের হতে দেখলে।

  •  নিপলের আকৃতি বদলে গেলে বা তা ভেতরের দিকে ডেবে গেলে।

  •  স্তনের ত্বকে কোনো শক্ত লালচে ভাব, গর্ত বা ক্ষত তৈরি হলে।

  •  স্তনে দীর্ঘদিন ধরে কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন থাকলে (আপনার পূর্বে জানা ক্যান্সারের ১০টি প্রাথমিক লক্ষণ-এর সাথে মিলিয়ে দেখতে পারেন)।

শেষকথা

পরিশেষে বলা যায়, স্তন ক্যান্সার যে কেবল নারীদের রোগ নয়— এই সত্যটি অনুধাবন করা ও পরিবারে সচেতনতা ছড়ানো অত্যন্ত জরুরি। স্তনে কোনো অস্বাভাবিক গোঁটা বা পরিবর্তন দেখা দিলে দ্বিধা, লজ্জা বা ভীতি দূরে ঠেলে দিয়ে দ্রুত পরীক্ষা করাই সুস্থতার প্রথম পদক্ষেপ।

“পুরুষদেরও স্তন ক্যান্সার হতে পারে। স্তনে কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন বা গোঁটা অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে অনেক ক্ষেত্রেই সফল চিকিৎসা সম্ভব।” সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।

সম্পর্কিত লেখা পড়ুনঃ স্তন/ ব্রেস্ট ক্যান্সার (নারীদের) 

## পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন

আপনার বা আপনার পরিবারের কারো ক্যান্সার চিকিৎসা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে দেরি না করে যোগাযোগ করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *